Tick Flea নির্মূলে Frontline Spray এর গুরুত্ব এবং এটি ব্যবহারের নিয়ম

Frontline Spray ব্যবহার বিড়াল/কুকুরের Tick & Flea নির্মূলের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। Tick & Flea নির্মূলের জন্য মার্কেটে অনেক ধরনের পাউডার, shampoo, Spot-on flea treatment পাওয়া যায়। কিন্তু কোনটাই ১০০% Tick & Flea নির্মূল করতে পারে না। কিন্তু Frontline Spray  ২৪ ঘণ্টার ভিতরে ১০০% Tick & Flea  নির্মূল করে নিরাপদভাবে।

Continue reading

how to remove dog parasite

কুকুরের গায়ে Ticks, Fleas হলে যা করণীয়

কুকুরের পরজীবীর মধ্যে Ticks, Mites, Lice এবং Fleas অধিক পরিচিত। এর ফলে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, পশম পড়ে যাওয়া, ঘা সৃষ্টি, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার রোগের সৃষ্টি হয়। তাই কুকুরের গায়ে যে কোন পোকা দেখলেই তা মেরে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। এ সব ক্ষতিকর পরজীবীর আক্রমন থেকে কুকুরকে বাঁচাতে হলে যা করতে হবে-

১। Powder – Flea এবং Tick দূর করার জন্য বাজারে বিভিন্ন company এর Flea Powder কিনতে পাওয়া যায়। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি । কিন্তু একটু সাবধানে Powder ব্যাবহার করতে হয় যেন কুকুরের নাকে মুখে না ঢুকে যায়। সারা শরীরে ব্যাবহার করতে হয় এবং ঘাড়, গলা, পেট ও লেজের গোঁড়ায় একটু বেশি দিতে হয়। কতদিন ও কি পরিমান ব্যাবহার করতে হবে তা পণ্যর গায়ে লেখা থাকে।

২। Shampoo– কুকুর বিড়ালের জন্য আলাদা Shampoo পাওয়া যায়। Natural শ্যাম্পু হলে ভাল এতে পশম রুক্ষ হবে না এবং কম পরবে। তবে তা পোকা দূর করার Shampoo কিনা তা দেখে কিনতে হবে। ২-৩ দিন এই শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করালে Flea এবং Tick দূর হয় ।

৩। Flea Spray– পোকা দুর করার জন্য Flea Spray কিনতে পাওয়া যায় এবং কুকুরের গায়ে ব্যাবহার করা হয় । এখন বিভিন্ন vet এর কাছে Spray করার ব্যবস্থা থাকে।

আমাদের Online Shop থেকে Flea Spray কিনতে এখানে ক্লিক করুন

৪। Flea Collar– Dog Flea collar কিনতে পাওয়া যায়। তবে এটা কুকুরের ঘাড়ে চুলকানি এবং চামড়ার রোগ সৃষ্টি করে বিধায় ব্যাবহার না করাই ভালো।

৫। Flea Comb – কুকুরের লোম আঁচড়ানোর জন্য এবং Flea দূর করার জন্য Flea Comb কিনতে পাওয়া যায়। এটি বিশেষভাবে Flea এর জন্য তৈরি। এটি দিয়ে নিয়মিত আঁচড়ালে কুকুরকে Flea মুক্ত রাখা যায়।

৬। Natural পদ্ধতি
• কুকুরকে নিয়মিত গোসল এবং grooming করাতে হবে।
• খোসাসহ পাতলা করে একটি লেবু নিন। ১কাপ আধাসেদ্ধ গরম পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন গোসলের আগে কুকুরের গায়ে মেখে দিন এবং শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি পরপর কয়েকদিন ব্যাবহার করুন।
• উকুনের ডিম কুকুরের লোমের সাথে শক্ত ভাবে আটকে থাকে। তাই একটু মেয়নেজ হাতে নিয়ে কুকুরের লোমে ঘষে দিন।এতে ডিমগুলো আলগা হয়ে যাবে। এরপর কুকুরকে ভাল করে কোন Shampoo দিয়ে গোসল করিয়ে দিতে হবে।

বাচ্চা কুকুরের ক্ষেত্রে-
কুকুরের মায়ের গায়ে Flea থাকলে বাচ্চাদের গায়েও হয়। আর এটা ওদের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু ৪ মাস বয়সের আগে বিড়ালের গায়ে কোন ধরনের Powder, Shampoo ইত্যাদি কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যাবহার করা একেবারেই উচিৎ নয়। সাধারনভাবে হাত দিয়ে Ticks, Mites, Lice ধরে ধরে ফেলে দিতে হবে। এরা খুব দ্রুতগতির হয় তাই এদের সহজে ধরা যায় না। হাতে Vaseline Jelly অথবা petroleum jelly মাখিয়ে নিলে এদের ধরতে সুবিধা হয় এবং ধরার পর পালিয়ে যাতে না যায় সে জন্য তাড়াতাড়ি মেরে ফেলতে হবে। Dishwashing Powder যুক্ত পানিতে ফেললে এরা তাড়াতাড়ি মারা যায়। আবার বাচ্চাকে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে ভালভাবে মুছে Flea Comb দিয়ে আঁচড়ে দিলে Flea কমে।

যা যা মনে রাখা প্রয়োজন –
১) Flea, Ticks, Mites, Lice যদি বেশি হয় তাহলে পশু চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
২) অসুস্থ, ব্যথা পাওয়া অথবা পা ভাঙ্গা কুকুরেকে Flea treatment দেওয়া যাবে না।
৩) সপ্তাহে অন্তত একদিন বিছানা ধুতে হবে কারন Flea এর ডিম বিছানাতে বেশি পাওয়া যায়।
৪) কুকুরকে নিয়মিত grooming করতে হবে।
৫) কুকুরের খাবারের বাটি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
৬) বাড়িতে একের অধিক কুকুর থাকলে সবাইকে একসাথে Flea treatment দিতে হবে।

dog grooming

কুকুরের Grooming কি?

Grooming বলতে সাধারনত পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার জন্য যত্নকে বোঝায়। কুকুরকে স্বাস্থ্যবান ও রোগ- জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য grooming করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সব বয়সের, সবজাতের কুকুরের grooming করা জরুরী।

প্রয়োজনীয়তা –
১) এটা চর্মরোগ, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ থেকে মুক্ত রাখে।
২) সাধারন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।
৩) এর ফলে কোনও অসুখ, ক্ষত, ভাঙ্গা সহজে চোখে পরে এবং চিকিৎসা করা সহজ হয়।
৪) কুকুর এবং মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়।
৫) কুকুরের গায়ে উকুন ও পোকা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।

Grooming পদ্ধতি –

১) গোসল – কুকুরকে নিয়মিত গোসল করাতে হয়। কুকুর গোসল করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। কুকুরের জন্য Dog শ্যাম্পু পাওয়া যায়। শ্যাম্পু লাগানোর পরে ভালভাবে ফেনা ধুয়ে ফেলতে হবে। শীতকালে হালকা গরম পানি দিয়ে কুকুরকে গোসল করাতে হয়। তারপর তোয়ালে দিয়ে ভালভাবে পানি মুছে গা শুকিয়ে ফেলতে হবে।

২) লোম trimming & cutting – Trimming & Cutting নির্ভর করে কুকুরের জাতের উপর। বেশি, কম, লম্বা, খাটো লোমওলা বিভিন্ন জাতের কুকুরের লোম বিভিন্নভাবে কাঁটা হয়। এটা পোকা মুক্ত রাখে এবং কুকুরের লোম কমিয়ে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। কিছু কুকুরের লোম খুব দ্রুত বড় হয়। এদেরকে অবশ্যই নিয়মিত লোম trimming করে রাখতে হয়, না হলে তাদের চলাচলেও সমস্যা হয়।

৩) Combing অথবা আঁচড়ানো – আঁচড়ানোর মাধ্যমে কুকুরের শরীরের আলগা লোম পড়ে যায়। আলগা লোমগুলো জট হয়ে যায় তাই এইগুলো ফেলে দেওয়া খুব জরুরী। এতে করে লোমের ভেতর পোকাও কম হয়ে থাকে।

৪)Trimming অথবা নখ কাঁটা – নখ কাঁটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিমাসে অন্তত একবার নখ কাটতে হবে কারন বেশি বড় হয়ে নখ বেঁকে যায় এবং কুকুর হাটার সময় ব্যথা পায়। নখ বড় হলে রোগজীবাণু আঁটকে থাকে। কিন্তু খুব সাবধানে নখ কাটতে হবে কারন বেশি পরিমানে কাটলে রক্তক্ষরণ হয় তাই অভিজ্ঞ মানুষ দিয়ে নখ trimming করতে হবে অথবা nail clipper কিনে তা দিয়ে কাটতে হবে।

এখন বিভিন্ন পশু চিকিৎসকের chamber এ Grooming করার ব্যবস্থা থাকে। এখন বিভিন্ন দোকানে grooming এর জিনিসপত্র যেমন- শ্যাম্পু, চিরুনি, বিভিন্ন সাইজের ব্রাশ, নখ কাঁটার মেশিন, কাঁচি, trimming মেশিন পাওয়া যায়। নিয়মিত grooming আপনার প্রিয় কুকুরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। তাই কুকুর পালনে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।