কুকুর অথবা বিড়াল কামড় দিলে যা করতে হবে এবং এর চিকিৎসা সম্পর্কিত কিছু কথা

বিড়াল অথবা কুকুর অনেক কারনেই মানুষকে আক্রমন করতে পারে, তাই বলে কুকুর পাগল হয়ে গিয়েছে অথবা র‍্যবিসে আক্রান্ত এমন না। অযথা প্রানিদের জ্বালাতন করা, মারা, মা কুকুরের বাচ্চাদের বিরক্ত করা উচিৎ নয়। দুর্ঘটনাবশত কামড় অথবা আঁচর লেগে গেলে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে নেওয়া উচিৎ।

Continue reading

epiphora in dogs

কুকুরের চোখ দিয়ে পানি পড়া (Epiphora) – এর কারন, লক্ষণসমূহ ও প্রতিকার

সাধারনত কুকুরের চোখ একটু ভেজা ভেজা থাকে। এই চোখের পানি চোখের সচ্ছলতা ও মসৃণতা বজায় রাখে, পুষ্টি বজায় রাখে এবং ধুলাবালি ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে। বিভিন্ন কারনে মাঝেমাঝে চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখের কোনে শ্লেষ্মা (mucus) জমে। একটা নির্দিষ্ট পরিমান পানি পড়া চোখের জন্য ভাল কিন্তু অতিরিক্ত পানি পড়া ভাল নয় এটি রোগের লক্ষন হতে পারে।

Epiphora এর কারনসমূহঃ
এই Epiphora (excessive tearing অথবা অতিরিক্ত পানি পড়া) এর বিভিন্ন কারন থাকতে পারে। যেমন-

  • Conjunctivitis (চোখ ওঠা)
  • Dry eye (শুষ্ক ত্বক)
  • এলার্জি
  • নেত্রনালি প্রদাহ
  • কর্নিয়া আলসার
  • টিউমার
  • ছানি
  • আঘাত
  • জন্মত্রুটি
  • ব্রেইন ও নার্ভে আঘাত পাওয়া
  • ইনফেকশন

Epiphora এর লক্ষনসমুহঃ
Epiphora (excessive tearing অথবা অতিরিক্ত পানি পড়া) এর সাথে সাথে আরও কিছু লক্ষন দেখা যেতে পারে। সেগুলো হল –

  • ময়লা, শ্লেষ্মা, হলুদ অথবা সবুজ পুঁজ জমা
  • চোখ লাল হয়ে যাওয়া
  • চোখ দিয়ে পানি পড়া
  • বার বার চোখ পিট পিট করা
  • চোখ জ্বালা
  • কর্কশ অথবা ঘোলাটে চোখ
  • চোখ জ্বালা করা
  • বার বার চোখ চুলকানো
  • চোখ অর্ধেক বা পুরোপুরি বন্ধ করে রাখা

Epiphora এর প্রতিকারঃ
Epiphora (excessive tearing অথবা অতিরিক্ত পানি পড়া) হলে যা করণীয় –

  • যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কুকুরকে Vet এর কাছে নিয়ে যেতে হবে।
  • Vet এর পরামর্শে চোখ ড্রপ অথবা মলম ব্যাবহার করতে হবে।eye-discharge-or-epiphora-in-dogs-causes-and-symptoms1
  • সমস্যা জটিল হলে অপারেশন করা লাগতে পারে।
  • হালকা গরম পানিতে তুলো অথবা পরিষ্কার সুতি কাপড় ভিজিয়ে কিছুক্ষন পর পর চোখ পরিষ্কার করে দিতে হবে।পানির বদলে লবন পানি এবং স্যালাইন ব্যাবহার করা যেতে পারে।
  • শ্যাম্পু , পাউডার , স্প্রে থেকে দূরে রাখতে হবে।
  • সিগারেট এর ধোয়া এবং ধুলো ময়লা থেকে দূরে রাখতে হবে।
  • Grooming করাতে হবে যাতে চোখে লোম না ঢুকে।
diarrhea in dogs

কুকুরের ডায়রিয়া এবং বমি

ডায়রিয়া কুকুরের একটি পরিচিত অসুখ।

বিভিন্ন কারনে ডায়রিয়া হয়ে থাকে যেমন –
১) অতিরিক্ত খেলে
২) পচা বাসি খাবার খেলে
৩) অপরিষ্কার পানি খেলে
8) কৃমির কারনে
৫) নতুন কোনো খাবার খেলে
৬) অন্য কোনো অসুখের কারনে

এসময় কুকুর ঘন ঘন পাতলা পায়খানা করে এবং বমি করে। এর ফলে কুকুরের দেহে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, দুর্বল হয়ে কুকুর মারাও যেতে পারে। তাই ডায়রিয়া হলে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়ে যত দ্রুতসম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াতে হবে।

প্রাথমিকভাবে যা যা করতে হবে –
১) যদি বমি ও পায়খানা একসাথে করে তাহলে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কুকুরকে কোনও খাবার দেওয়া যাবে না।
২) পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে বরফের টুকরা সামনে দিতে হবে, চেটে খেলে বমিও কমবে।
৩) শুধুমাত্র জীবাণুমুক্ত পানি খেতে দিতে হবে।
8) যদি বমি কমে যায় তাহলে অল্প মুরগির মাংস ও সাদা ভাত খাওয়াতে হবে। যতক্ষণ পায়খানা স্বাভাবিক না হয় তাকে শুধু এই খাবার খাওয়ানো যাবে।
৫) ডায়রিয়া যদি ২৪ ঘণ্টার বেশি থাকে এবং পায়খানার সাথে রক্ত দেখা যায় তাহলে অবশ্যই সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

rabies in dogs

কুকুরের জলাতঙ্ক

কুকুরের সব রোগের মধ্যে জলাতঙ্ক সবচেয়ে পরিচিত এবং ভয়ঙ্কর রোগ। এটি একটি প্রাণঘাতী রোগ। এই রোগের ভাইরাস শেয়াল, রেকুন, বাদুর ও ইঁদুর বহন করে থাকে। এই প্রাণীগুলো থেকে কুকুরের মধ্যে এই রোগ ছড়ায়। আবার জলাতঙ্কে আক্রান্ত কুকুরের কামড়ে অথবা আঁচড়ে মানুষের এবং অন্য প্রাণীরও এই রোগ হয়ে থাকে। ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশের পরে মস্তিস্ক পর্যন্ত ছরিয়ে পরে। কুকুরের ক্ষেত্রে ৩-৮ সপ্তাহ ও সময় লাগতে পারে এবং আস্তে আস্তে এ লক্ষনগুলো প্রকাশ পায়। তাই এই লক্ষনগুলো দেখলেই কুকুরকে পশু চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করাতে হবে। এ রোগে আক্রান্ত কুকুর খুব বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে না। কুকুরের এই রোগ হলে তার কোনও চিকিৎসা নেই কিন্তু প্রতিষেধক আছে। কুকুরকে vaccine / প্রতিষেধক দেওয়ার মাধ্যমে এই রোগ থেকে বাঁচানো যায়। তাই সচেতনতার মাধ্যমেই এই রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

জলাতঙ্কের লক্ষণসমূহ –
১) জ্বর আসা কিংবা প্যারালাইসিস হয়ে যাওয়া
২) হটাৎ আচরণে পরিবর্তন হওয়া অথবা অস্বাভাবিক আচরণ করা
৩) হটাৎ হিংস্র হয়ে ওঠা বা কামড় / আঁচর দিতে চাওয়া
৪) অন্যরকমভাবে ডাকা
৫) মুখ দিয়ে লালা ঝরা
৬) ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া
৭) পানি দেখে ভয় পাওয়া এবং পানি পান বন্ধ করে দেওয়া

জলাতঙ্কের প্রতিষেধক –
শুধুমাত্র rabies vaccine/ জলাতঙ্কের টিকার মাধ্যমে এই রোগের প্রতিরোধ করা সম্ভব। বর্তমানে সব পশু চিকিৎসকের কাছ থেকেই এই টিকা দেওয়া যায়।

dog-food-diseases

খাদ্য দ্বারা প্রভাবিত কুকুরের ৫টি সাধারন রোগ

উন্নতমানের ও সুষমখাদ্য আপনার কুকুরের জন্য অপরিহার্য। অতিরিক্ত পরিমান, অল্পপরিমান ও নিম্নমানের খাদ্য কুকুরের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। পশু চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে কুকুরকে সঠিক পরিমানে চর্বিজাতীয় , আমিষজাতীয়, ক্যালশিয়াম ও ফসফরাসযুক্ত ও অন্যান্য পুষ্টিযুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে। জেনে নিন ৫টি সাধারন রোগ সম্পর্কে যা শুধু খাবারের দ্বারা প্রভাবিত হয়।

১) Obesity অথবা স্থুলতা – বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী অতিরিক্ত ওজন কুকুরের স্বাস্থ্যর পক্ষে ক্ষতিকর। বয়স্ক কুকুরের মাঝে স্থুলতা বেশি দেখা যায়। এর ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, ক্যানসার ইত্যাদি রোগ দেখা দেয়। ভালমানের খাবার ও সঠিক পরিমানে খাবারের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

২) Pancreatitis অথবা অগ্নাশয়ের স্ফীতি ও প্রদাহ – pancreas বা অগ্নাশয় অতিরিক্ত উত্তপ্ত হওয়ার ফলে এই রোগের সৃষ্টি। এর ফলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, বিশেষ করে খাবারের পর এই ব্যথা বেড়ে যায়।

৩) Bladder Stones অথবা মুত্রথলিতে পাথর – মুত্রথলিতে পাথর প্রথমে ছোট থাকে এবং পরবর্তীতে আস্তে আস্তে আকারে বড় হয়। প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন দেখে এই রোগ নির্ণয় করা হয়। ক্যালশিয়াম ও ফসফরাসযুক্ত খাবার এই রোগ প্রতিরোধ এর সহায়ক।

৪) Heart Disease অথবা হৃদরোগ – প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক কুকুর মারা যায়। খাবারে অতিরিক্ত সোডিয়াম থাকার কারনে blood pressure বেড়ে গিয়ে কুকুর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। তাই অতিরিক্ত সোডিয়ামযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

৫) Diarrhea অথবা ডায়রিয়া – ডায়রিয়া দুই ধরনের। আঁশযুক্ত খাবার এক ধরনের ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে এবং সহজে হজম হয় এমন খাবার অন্য ধরনের ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে।

dog itching

কুকুরের শরীর চুলকানোর কয়েকটি কারন

স্বাভাবিকভাবে কুকুর শরীরের বিভিন্ন জায়গা চুলকায়। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু কারনে এই চুলকানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তখন কারণটি নির্ণয় করে তার প্রতিকার করা জরুরী।

১) Fleas বা ছোট পোকা বিশেষ – এটি প্রায় অনেক কুকুরের গায়েই দেখা যায়। ছোট ছোট কালো অথবা বাদামি রঙের এই পোকা লোমের মাঝে দৌড়াতে থাকে এবং যা সহজে হাত দিয়ে ধরা যায় না। শরীরের যেখানে লোম বেশি থাকে যেমন লেজের গোঁড়া, ঘাড়, পেট এসব জায়গায় এরা ডিম পেড়ে বংশবৃদ্ধি করে। এরা কুকুরের গায়ের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে।

২) Mange বা খোস পাঁচড়া – এটি এক ধরনের চর্মরোগ। এক ধরনের পরজীবীর আক্রমণে এই রোগ হয়। এর ফলে আক্রান্তস্থানের সবলোম পড়ে যায়। এটি দুই ধরনের হয়ে থাকে Sarcoptic ও Demodectic। Demodectic সংক্রামকরোগ নয় এবং এটি চুলকায় কম। Sarcoptic পশু থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে এবং এটি মারাত্মকভাবে চুলকায়।

৩) Ear Mites বা কানের পরজীবী – কুকুরের কানে এক ধরনের পরজীবী বাসকরে যাদেরকে খালি চোখে দেখা যায় না। এটা সংক্রামিত হয় এক কুকুর থেকে অন্য কুকুরের মাঝে। কিন্তু সবসময় কানের চুলকানির কারন এই পরজীবী নাও হতে পারে।

৪) Dry Skin বা শুষ্কত্বক – অনেক সময় পরিবেশের কারনে, অনেক সময় পুষ্টি অথবা খাদ্যের কারনে ত্বকশুষ্ক হয়ে চুলকানির কারন হয়। উকুন এবং খুসকি হলেও এমন হতে পারে। কিন্তু কুকুরের খুসকি মানুষের মাঝে ছড়ায় না।

৫) Puppy Pyoderma বা বাচ্চা কুকুরের চুলকানি – এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে কুকুরের গায়ে ছোট ছোট লাল রঙের দানা দেখা দেয় যা দেখতে অনেকটা ব্রনের মত। এটি সাধারনত বাচ্চা কুকুরের গায়ে বেশি দেখা দেয় যাতে প্রচণ্ড জ্বলুনি এবং চুলকানি হয়।

periodontal disease in dogs

Periodontal Disease – কুকুরের দাঁতের রোগ

কুকুরের দাঁতের অনেক রোগের মধ্যে Periodontal Disease একটি পরিচিত রোগ। সাধারনত তিনবছর বয়স থেকে অনেক কুকুরেরই এই রোগ দেখা দেয়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে এটি খুব খারাপ পর্যায়ে চলে যায় এবং দাঁত রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই রোগের শুরু হয় দাঁতের গোঁড়ায় এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া জমে হলুদ আবরন ফেলে যাকে plaque বলে। কিন্তু আস্তে আস্তে এটি দাঁতের মাড়ি, চোয়াল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। মুখের টিস্যুকে, রক্ত কনিকাকে নষ্ট করে দেয় ফলে দাঁতকে ক্ষতি করে। এক পর্যায়ে দাঁত পড়ে যায়।

Periodontal Disease এর লক্ষন-
১) খাবার খেতে না চাওয়া অথবা চিবাতে কষ্ট হওয়া।
২) মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া অথবা লাল মাড়ি।
৩) দাঁত ভেঙ্গে যাওয়া এবং পড়ে যাওয়া।
৪) কুকুরের খেলনা এবং খাওয়ার পানিতে রক্ত দেখা।
৫) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ।
৬) মুখ ও মাড়ি ফুলে যাওয়া।
৭) মুখ দিয়ে বেশি লালা ঝরা।
৮) হাঁচি দেওয়া এবং নাক দিয়ে পানি পড়া।
৯) মাথা এবং মুখ ছুঁতে না দেওয়া।

এসব কোনো রোগ দেখলে কুকুরকে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এই রোগের বিভিন্ন চিকিৎসা আছে যেমন scaling, polishing, surgery, ওষুধ ইত্যাদি এর মাধ্যমে এই রোগ সেরে যায়।

dog heat stroke

Heat Stroke / হিটস্ট্রোক

যেহেতু আমাদের দেশের আবহাওয়া গরম এখানে হিটস্ট্রোক সাধারন একটি সমস্যা। কুকুরের লোম ঠাণ্ডা আবহাওয়ার জন্য উপযোগী কিন্তু গরমের জন্য এটা অনেক সমস্যা। কারন শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য কুকুর শুধুমাত্র পায়েরতলা দিয়ে ঘাম নিঃসরণ করে যা অনেক তাপ কমানোর জন্য পর্যাপ্ত নয়। তাই অতিরিক্ত গরমে শরীরে বেশি তাপ জমে কুকুর হিটস্ট্রোক করে।

হিটস্ট্রোক এর লক্ষন্সমুহ –
১) জোরে জোরে শ্বাস নেওয়া,
২) চুপ করে একস্থানে শুয়ে থাকা,
৩) হার্টবিট বেড়ে যাওয়া,
৪) শরীরের তাপমাত্রা ১০৩ ° F অথবা তারচেয়ে বেশি হয়ে যাওয়া,
৫) বমি করা,
৬) অদ্ভুত আচরণ করা,
৭) শরীরে কাঁপুনি হওয়া,
৮) প্রসাব বন্ধ হয়ে যাওয়া

হিটস্ট্রোক হলে করণীয় –
১) কুকুরের সারা শরীরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে
২) বিশেষ করে ঘাড় ও মাথায় বরফ ঘষে দিতে হবে
৩) কুকুরের পা ম্যাসেজ করে দিতে হবে
৪) যতটুকু সম্ভব ঠাণ্ডা পানি পান করাতে হবে
৫) অবস্থার পরিবর্তন না হলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে

হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচাতে হলে-
১) কুকুরের ঘর ঠাণ্ডা জায়গায় বানিয়ে দিতে হবে
২) ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করে দিতে হবে
৩) গরমকালে নিয়মিত গোসল করাতে হবে
৪) পানির পাত্রে সবসময় পানি দিয়ে রাখতে হবে
৫) বেশি গরমে খেলাধুলা কম করাতে হবে